ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আয়-উপার্জন ও সম্পদের দিক থেকে ছাড়িয়ে গেছেন বড় ব্যবসায়ী কিংবা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের। মাত্র ৭০ হাজার টাকার চাকরি, অথচ কারও পাঁচতলা ভবন, কারও একাধিক ফ্ল্যাট, আবার কেউ পাঠিয়েছেন সন্তানকে কানাডায় পড়তে।
নিউজ টোয়েন্টিফোর-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—আব্দুল লতিফ, আব্দুল জলিল ও এখলাছ নামের তিন ঝাড়ুদারের বিলাসবহুল সম্পদের চিত্র। জমি দখল, চাঁদাবাজি ও জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
আব্দুল লতিফ হাজারীবাগে ছয়তলা ভবনের একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক। দলীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে গত ১৬ বছরে সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কুমিল্লায়ও রয়েছে একাধিক সম্পত্তি। ছেলেকে পাঠিয়েছেন কানাডায় পড়তে।
আব্দুল জলিল রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে তিনতলা ভবনের মালিক হয়েছেন। কামরাঙ্গীরচরেও সম্পত্তি রয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে এখলাছ কেরানীগঞ্জে পাঁচতলা ভবনের মালিক। পাশাপাশি আরও একটি ভবনের শেয়ার রয়েছে তার নামে। অথচ এখনো সিটি কর্পোরেশনের কোয়ার্টার দখল করে থাকেন।
সহকর্মীদের অভিযোগ, এই ধনী ঝাড়ুদাররা নিজেরা কাজ না করে প্রক্সি কর্মী দিয়ে দায়িত্ব করান। কেউ কেউ আবার ছুটিতে থেকেও অর্ধেক বেতন নিজেরা নেন, বাকিটা প্রক্সিকে দেন।
রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি ও অবৈধ সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এখনো এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি।
⸻ সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের জন্য চোখ রাখুন — নিউজফ্রন্টলাইন বিডি।