কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিনথিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে আসামি মো. মোবারক হোসেন।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতে দেওয়া ঘাতক মোবারকের জবানবন্দির রেকর্ডপত্র হাতে পেয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম।
ঘাতক মোবারক আদালতে স্বীকার করে জানায়, প্রথমে সুমাইয়াকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি দেখে ফেলেন সুমাইয়ার মা তাহমিনা বেগম ফাতেমা। তাই তিনি প্রথমে তাহমিনাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। এরপর আবার সুমাইয়ার কাছে গিয়ে তাকে গলাটিপে হত্যা করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ধর্ষণের বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য উদ্ধার হওয়া কাপড়, বিছানার চাদরসহ বিভিন্ন আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হবে।
গ্রেপ্তারের পর মোবারক মা-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে ৯ সেপ্টেম্বর রাতে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলী আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেয়। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। এ ঘটনায় একমাত্র আসামি মোবারক হোসেন, অন্য কেউ জড়িত নয় বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওইদিন রাতে নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকা থেকে পালানোর সময় মোবারককে গ্রেপ্তার করা হয়।